বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, আতঙ্ক বাড়লেও সচেতন নয় সাধারণ মানুষ

0
64

ইসলানপুর: এলাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে একের পর এক। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের আতঙ্ক। ক্রমশ করোনার আতঙ্ক মানুষকে তাড়া করে বেড়ালেও মানুষ যে আদৌ সচেতন নয় তা পরিষ্কার। অর্থাৎ আর পাঁচটা দিনের মতই জমজমাট বাজার। প্রয়োজন ছাড়াও অনেক মানুষ দিব্যি গল্পগুজবে ব্যস্ত। কারোর মুখে যেমন মাস্ক নেই তেমনি সামাজিক দূরত্বের বালাইষাট। কেউ তা পালনও করেন না। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতন হতে সেসব মেনে চলার বিষয়ই নেই যেন সেখানে।

এমনই এক এলাকা গোয়ালপোখর এক ব্লকের পাঞ্জিপাড়া। রাস্তা দিয়ে হেটে চলা অজস্র মানুষের মধ্যে তেমনভাবে মাক্স ব্যবহারকারীদের খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না  এমনকি বেশিরভাগ মানুষই বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে তারা অনেকেই প্রকৃত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না। কখনোই ব্যবহার করেন না স্যানিটাইজার। যেন সবকিছু জেনেও কিছুই জানেন না এমন একটা ভাব। এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন জনপ্রতিনিধিরা।

তারা তাদের মতন করে সচেতনতার প্রচার করেও লাভ হয়নি কিছুই। গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য ফিরোজ খান বলেন, তেমনভাবে কেউই মাস্ক পড়ছে না সেখানে। তাই যাতে প্রশাসনিকভাবে সেখানে মাক্স বিতরণ হয় এবং এলাকার বাসিন্দাদের টেস্ট করানো হয় এমনই দাবি জানানো হবে প্রধান থেকে শুরু করে বিডিও এমনকি এলাকার মন্ত্রী গোলাম রাব্বানীকেও। এলাকার জনৈক জনপ্রতিনিধির পক্ষে মহম্মদ মাসুম জানান, অবিলম্বে ওই এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করা হোক।

কেননা সংক্রমণের তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে। এলাকায় মানুষকে সচেতন করতে সরকারিভাবে কর্মসূচি নেওয়া হোক। সেখানে এলাকার বাসিন্দা রমজান আলী। মাস্ক ব্যবহার করেননি। তবে পরা উচিত বলে তা তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন। যদিও তিনি বলেছেন নামাজের জন্য তিনি মাস্ক খুলে রেখেছেন। এমনি বহু মানুষ যারা কখনোই মাস্কের ব্যবহার করছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে এলাকার বাসিন্দাদের তরফে। তবে পান্জিপারা এলাকাতে যেভাবে চলছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা; এই সংকটের মুহূর্তে তা পাল্টে না ফেললে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here