বাংলাদেশকে নিশ্চিহ্ন করতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা: আইনমন্ত্রী

0
606

হাবিবুর রহমান, ঢাকা: বাংলাদেশকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর রক্ত বাংলাদেশ থাকলে, বাংলাদেশকে মেরে ফেলা যাবে না। তাই, বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে দেয়ার লক্ষ্যে তার শিশু সন্তানসহ সকলকে হত্যা করেছিল ষড়যন্ত্রকারীরা। কিন্তু, বঙ্গবন্ধুর রক্ত বা তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করে দেশকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘শোকের মাস, ষড়যন্ত্রের মাস আগস্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না মন্তব্য করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ছিল। জিয়াউর রহমান সরকার গঠনের পর পাকিস্তানের দোসরদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার নেপথ্যে তারা ছিল। জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় যারা ছিলেন তারা পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রিসভাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন। এ থেকেই প্রমাণিত হয় যে, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে না এমন ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আগামী প্রজন্ম জানতে চাই, কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। তার হত্যার বিচারের জন্য কেন ২১ বছর দেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে। কেন নেপথ্যের মানুষদের এখন পর্যন্ত বিচার হয়নি।

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কমিশন গঠনের দাবি অনেক পুরানো ছিল। দেশের জনককে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিল তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়ার সুযোগ আমরা পেয়েছি। সে সুযোগকে ছেড়ে না দিয়ে কাজে লাগানোর জন্য একটি কমিশন গঠন অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। আমি মনে করি, এই কমিশনকে শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে লোকজনকে চিহ্নিত করার কাজ করতে দেয়া উচিত। অন্যান্য বড় হত্যাকাণ্ডের কাজ না করার পরামর্শ রাখছি আমি। কেননা এই কাজটি অনেক বড়। আলোচনা সভায় সংগঠনটির আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের, সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব এ কে এম আতিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।