করোনা আতঙ্কে বাতিল ট্রেলার লঞ্চ, মুভি রিলিজ ও শুটিং

0
51

দেবলীনা ব্যানার্জী : করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক থাবা বসিয়েছে বিনোদন জগতেও। একের পর এক বাতিল হয়ে যাচ্ছে ছবির শুটিং, ট্রেলার লঞ্চ এমনকি ছবির রিলিজও। প্রথমে সলমন খানের ‘রাধে’ ছবির শ্যুটিং বাতিল ও আইফা অ্যাওয়ার্ড শো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত। এবার কোপ পড়তে চলেছে রণবীর সিংয়ের ‘৮৩’র ওপর। মুম্বাইতে ছবির ট্রেলার লঞ্চ করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের জেরে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

রণবীর সিং, দীপিকা পাড়ুকোন ও পরিচালক কবীর খানের উপস্থিতিতে বড় মাপের অনুষ্ঠান করে ছবির ট্রেলার লঞ্চ হওয়ার কথা ছিল বুধবার। কিন্তু আপাতত তা বাতিল, পরবর্তী কর্মসূচি কি হবে সে সম্পর্কেও কোনো আপডেট এখনো পর্যন্ত নেই। এমনকি আগামী ১০ এপ্রিল ‘৮৩’ মুক্তি পাবে কিনা সে নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। আগামী বেশ কিছু ছবি যেমন ‘সূর্যবংশী’,  ‘গুঞ্জন সাক্সেনা’র মুক্তিও আটকে যেতে পারে বলে খবর।

যদিও নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এরকম কোনো বক্তব্য এখনো পর্যন্ত রাখা হয় নি। এপ্রিলে বেশ কয়েকটি বাংলা ছবির মুক্তির কথা ছিল। যার মধ্যে সৌকর্য ঘোষালের ‘রক্তরহস্য’, রাজ চক্রবর্তীর ‘ধর্মযুদ্ধ’, অরিন্দম ভট্টাচার্যের ‘ অন্তর্ধান’ আছে। এই ছবিগুলো সম্ভবত নির্দিষ্ট দিনেই মুক্তি পাচ্ছে। কিন্তু ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরীর ব্রাত্য বসু ও ঋত্বিক চক্রবর্তীকে নিয়ে ছবির শুটিং পিছিয়ে গিয়েছে।

মার্চেই দক্ষিনী তারকা মোহনলালের একটি ছবি মুক্তির কথা, সেটিও পিছোবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত কেরল ও জম্মু সরকার ছবির প্রদর্শন সিনেমা হলে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। হল বন্ধ থাকলে স্বাভাবিকভাবেই ছবি রিলিজ নিয়ে চিন্তাভাবনা করবেন নির্মাতারা। ইতিমধ্যেই চিনে জেমস বন্ডের ছবি ‘ নো টাইম টু ডাই’ এর শিডিউল বাতিল হয়ে ছবিটি সাত মাসের জন্য পিছিয়ে গিয়েছে।  প্রাগে মার্ভেলের ছবি ‘ দ্য ফ্যালকন অ্যান্ড দ্য উইন্টার সোলজার’ এর শুটিং বানচাল হয়েছে।

জেমস করডন ও মার্গো রবির মত জনপ্রিয় তারকাদের কন্ঠ দেওয়া অ্যানিমেশন মুভি ‘পিটার র‍্যাবিট টু’ এর মুক্তির কথা ছিল ২৭ মার্চ। তা পিছিয়ে ৭ আগস্ট করা হয়েছে। ২০১৮ তে মুক্তি পাওয়া পিটার র‍্যাবিটের প্রথম পর্ব সারা বিশ্বে ৩৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছিল। আয়ের দুই তৃতীয়াংশই এসেছিল উত্তর আমেরিকার বাইরে থেকে। এছাড়াও পারিবারিক বিনোদনে ভরপুর ছবি ট্রোলসের বিশ্বসফরও এক সপ্তাহ পিছিয়ে ১০ এপ্রিল থেকে করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে চিনে ৭০ হাজার সিনেমা হল বন্ধ আছে। গত সপ্তাহ থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইতালি ও ফ্রান্সের সিনেমা হলগুলিও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here