মন্ত্রীর নির্দেশিকা উপেক্ষা করে বহু চা বাগানে রয়ে গেছে ব্লেড তারের বেড়া, উদ্বিগ্ন পরিবেশ প্রেমীরা

0
44

মালবাজার: মন্ত্রীর নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ডুয়ার্সের একাধিক চা বাগানে রয়ে গেছে ব্লেড তারের বেড়া। কোন কোন চা বাগান নতুন করে লাগাচ্ছে। এতেই উদ্বিগ্ন ডুয়ার্সের পরিবেশ প্রেমীরা। ডুয়ার্সের বিভিন্ন চাবাগান কর্তৃপক্ষ আবাদি এলাকায় গবাদিপশুর উপদ্রব ঠেকাতে ধারালো ব্লেড তারের বেড়া দিয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে এই ব্যবস্থা চলছে। বন্যপ্রাণীর যাতায়াতের সমস্যা হচ্ছে।

কিছুদিন আগে দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও বন দপ্তর ডুয়ার্সে হাতির কোরিডোরের উপর সমীক্ষা করে। সেই সমীক্ষাতে দেখা গেছে হাতির কোরিডোরের মধ্যে বেশ কিছু চ বাগান রয়েছে। সেইসব চাবাগান গুলি ব্লেড তারের বেড়া দিয়ে আবাদি এলাকা ঘেরা দিয়েছে। এই ধারালো ব্লেড তারে জখম হচ্ছে বনের পশুপাখি থেকে গবাদিপশু। গবাদিপশুর চিকিৎসা সম্ভব হলেও বন্যপ্রাণীর চিকিৎসা হয় না।

জখম অবস্থায় ঘুরে বেরায়। এতেই উদ্বিগ্ন হয়ে এই বেরা অপসারণে সোচ্চার হয়েছিল পরিবেশ কর্মীরা। সন্মানিয়া ওয়াইল্ড লাইফ ওয়াডেন্ট সীমা চৌধুরী এই বিষয়ে বিভিন্ন সময় তার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি রীতিমতো সোচ্চার এর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রাজ্যের বনমন্ত্রী মুর্তিতে এক অনুষ্ঠানে এসে জানিয়েছিলেন, যারা এই বেড়া দিচ্ছে সেইসব চাবাগান কর্তৃপক্ষকে বনাধিকারিকরা চিঠি দয়ে এই বেরা সরিয়ে নিতে অনুরোধ করবে।

এতে কাজ না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেইমত বন দপ্তর থেকে অনেক চাবাগাকে চিঠি দিয়ে এই বেড়া সরিয়ে নিতে বলা হয়। তারপর বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হলেও দেখা গেছে বেরা বহালতবিয়তে আছে। রবিবার ডুয়ার্সের বাতাবাড়ি, নেওরানদী, রানীচেরা, ওয়াশাবাড়ি সহ বেশ কিছু চাবাগানে এই বেড়া রয়েছে। এমনকি হাতির কোরিডোরেই বেড়া রয়েছে।

এনিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন পরিবেশ প্রেমী নফসর আলি বলেন, বহুবার বলা হয়েছে। বন দপ্তর চিঠি দিয়েছে। মন্ত্রী অনুরোধ করেছে। তবু বহু চাবাগানে বেড়া রয়ে গেছে। এরপর আইনের পথে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। এনিয়ে জলপাইগুড়ির এক বনাধিকারিক বলেন, সংশ্লিষ্ট চাবাগান গুলিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এরপর উপর মহলের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here