ধর্ষণের পর কিশোরীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা, অভিযুক্তের ফাঁসির দাবী

0
64

মালবাজার: বাড়িতে একা পেয়ে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করাছিল এক যুবক। লজ্জায় কিশোরী সন্মান বাঁচাতে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। অসুস্থ অবস্থায় মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আনা হলে। ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। নির্যাতিতার বাবা মাল থানার বাবলু রহামান নামের এক যুবক টোটো চালকের বিরুদ্ধে এজাহার করে।

পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করেছে। এই ঘটনার পর শনিবার নির্যাতিতার বাবা অভিযুক্তের ফাঁসির দাবী করল। ঘটনাটি ঘটেছে মাল ব্লকে তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ঠিকাদার পাড়ায়। স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টায় নিজের বাড়ির মধ্যে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ঠিকাদার পাড়ার বাসিন্দা বড়দীঘি হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী রেনু বেগম(১৫)।

পরে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে তার মৃত্যু হয়। ওইদিন রাতে নির্যাতিতার বাবা মাল থানায় এজাহার করে। শনিবার নির্যাতিতার বাবা সরিফুল রহামান সাংবাদিকদের জানান, আমি কাঠমিস্ত্রীর কাজ করি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পাশের বাড়িতে কাজ করছিলাম। আমার স্ত্রী ডাক্তার দেখাতে মালে যায়। বাড়িতে আমার মেয়ে একা ছিল। দুপুর ১টা নাগাদ বাড়িতে এসে দেখি বাবলু রহামান জোর করে মেয়েকে শ্লীলতাহানি  করছে।

আমাকে দেখেই বাবলু আমাকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়। মেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে ও মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে। এরপর দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাড়ির মধ্যে গলায় ফাঁস দেয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত বলে জানায়। আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য বাবলু দায়ী। ওর যেন কঠিন শান্তি হয়। আমি ওর ফাঁঁসই দাবি করছি। স্থানীয় বাসিন্দা গুলজার আলি ও অন্যান্যর জানায়, ওই শয়তানকে ফাঁসি দেওয়া উচিত।

এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে মাল থানার ওসি শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ হয়েছে এবং অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। ওর বিরুদ্ধে পকশো সহ নিদ্বিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে।  ঘটনায় অভিযুক্তের ফাঁসির দাবীতে স্থানীয়রা রাস্তায় নামতে পারে বলে জানাগেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here