বাঁদরের বাঁদরামিতে অতিষ্ঠ পুন্যার্থী থেকে স্থানীয়রা

0
64

 

মালবাজারঃ ডুয়ার্স থেকে শিলিগুড়ি যাতায়াতের পথে তিস্তার নদীর পার ধরে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথের প্রাকৃতিক শোভা অত্যন্ত মনোরম। রয়েছে তিস্তার উপর  প্রাচীন করনেশন সেতু। নদীর পশ্চিম দিকে জাতীয় সড়কের একদিকে পাহাড়ের চূড়ায় রয়েছে কালি মন্দির। অন্যদিকে আর এক চূড়ায় এক শিব মন্দির রয়েছে। এই দুই মন্দির থাকায় প্রতিদিন প্রচুর পুন্যার্থী পূজা দিতে আসেন। তিথি বিশেষে ভীড় বাড়ে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

নিত্যযাত্রী অনেকে মন্দিরে পূজা দেয়। এই কারনে দুই মন্দিরকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু দোকান গড়ে উঠেছে। পূজার সামগ্রী থেকে ঝালমুড়ি চাট সবই বিক্রি হয়। আমাদের হিন্দুদের এক সংস্কার রয়েছে পূজার পর পূজার ফল মিষ্টি বাঁদর বা হনুমানকে খাওয়ালে পূন্য সঞ্চয় হয়। এই বিশ্বাস থেকে অনেকেই এখানে বাঁদরকে নানান ফল খাওয়ান। কয়েক বছর আগে এটা সমস্যা হতো না। বর্তমানে বাঁদরের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। সেই সাথে বাঁদরের উপদ্রব বেড়েছে।

পূজার সামগ্রী নিয়ে যদি লক্ষ্য না করেন তবে দেখবেন পূজার থাল সমেত সামগ্রী উধাও। মন্দিরের পূজারিরা বড় বড় লাঠি নিয়ে দাড়িয়ে থেকে পাহারা দেয়। স্থানীয় দোকানীরা দোকানে লাঠি ও গুলতি নিয়ে দোকানদারি করেন। একটু অসর্তক হলেই দোকানের ফল মিষ্টি গায়েব হয়ে যাবে। গতকাল এক চাট বিক্রেতা গাহেককের জন্য চাট বানাতে ব্যস্ত। একটু অসর্তক হয়েছেন ওমনি এক বাঁদর চুপচাপ এক শশা নিয়ে গায়েব।

ওই চাটের দোকানী জানালেন এখানে প্রতিদিন প্রতিটি দোকানের ২০ – ৫০ টাকা এই ভাবে নষ্ট হয়। পাশেই দেখা গেল এক মহিলা দোকানী গুলতি নিয়ে বাঁদর তাড়াচ্ছেন। স্থানীয়রাই জানায় বর্তমানে এই চত্তরে প্রায় কয়েক হাজার বাঁদর আছে। নিত্যযাত্রী ও পুন্যার্থীদের দেওয়া ফল মিষ্টি খেয়ে থাকে। তবে ইদানীং উপদ্রব শুরু করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here