“বাবা-মায়ের পছন্দ মত পড়াশোনা করেছি ভেতরের অভিনেতাটিকে বাঁচিয়ে রাখবো বলে” – রাশেদ

0
70

মনটাই জানালেন তরুন অভিনেতা রাশেদ রহমান।  কোচবিহারের ছেলের কলকাতায় গিয়ে পায়ের তলায় শক্ত জমি তৈরি করা খুব সহজ ছিল না। কিন্তু তেমনটাই করে দেখিয়েছেন রাশেদ। প্রথম অভিনীত ছবি ইতিমধ্যেই দেশে বিদেশে সমাদৃত। কানাডা থেকে সেরা অভিনেতার সম্মান পাওয়ার পর মুম্বাই ফিল্মেরা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেতার পদক জিতলেন। নিজের অনুভূতি শেয়ার করলেন নিউজবৃত্তান্তের প্রতিনিধি দেবলীনা ব্যানার্জীর সাথে

দেবলীনা : প্রথমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি মুম্বাই ফিল্মেরা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেতার পদক জেতার জন্য।কেমন অনুভূতি?

রাশেদ : আমার মনে হয় এই অনুভূতির কথা বলে বোঝানো যাবে না। প্রত্যেকটা নতুন অভিনেতার কাছে  এমন একটা সুযোগ  হয়ে ওঠে তুরুপের তাস। তারপর সেখান থেকে যদি সেরা অভিনেতার মতো সম্মানজনক পুরস্কার পাওয়া যায় সেটা তো সোনায় সোহাগা।

দেবলীনা : এর আগে তো কানাডা থেকে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন কিন্তু এবার নিজের দেশ, দুটোর মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

রাশেদ : আমার মনে হয় পুরস্কারে কোন পার্থক্য নেই, কারণ সম্মান যেখান থেকেই আসুক সেটা সব সময় আপনাকে উৎসাহিত করে ভালো কাজের জন্য। তবে হ্যাঁ মুম্বাই তো আমাদের ফিল্ম সিটি সেখান থেকে পুরস্কার পাওয়াটা সত্যিই গর্বের।

দেবলীনা : নিজের লড়াইয়ের দিনগুলো সম্বন্ধে কিছু বলুন?

রাশেদ : আসলে এটা এখন তো অনেকে জেনে গেছে আমি উত্তরবঙ্গের একটা সাধারন পরিবারের ছেলে। সেখান থেকে রুপোলি পর্দায় এসে কোনো কিছু করার জন্য যে পরিমাণ লড়াই করতে হয় সেটা শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের লোকেরাই জানে। তার ওপর পরিবারের লোকেরা একটা অনিশ্চয়তায় ভোগেন যে এই পেশায় ভবিষ্যতে কতদূর যেতে পারবে তাদের সন্তানেরা। সেজন্য আমি আমার বাবা ও মায়ের পছন্দমত পড়াশোনা করেছি নিজের ভেতরের অভিনেতাকে বাঁচিয়ে রাখবো বলে।

দেবলীনা : ‘পেইন্টিংস ইন দা ডার্ক’ কবে আসছে?

রাশেদ : এ মাসেই আসছে আমাদের ছবি। আশা করব সকলে প্রেক্ষাগৃহে  দেখে এসে জানাবেন কেমন লাগলো। এতগুলো পুরস্কার মনে একটা অন্যরকম জোর দিয়েছে, তাই  জনসাধারণের  ছবি ভালো লাগবে এ বিষয়ে আমি বেশ কনফিডেন্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here