করনদীঘিতে ব্যবসায়ী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ব্যবসায়ী সমিতির বিক্ষোভ মিছিল

0
166

 

কল্যান ব্যানার্জী, করনদীঘি: করনদীঘি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন পোল্ট্রির দোকানে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন সাধারন মানুষ।বুধবারে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সুবেশ দাসের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে ব্যবসা বন্ধ পালন করা হয়। এদিন এক প্রতিবাদ মিছিল স্থানীয় সুপার মার্কেট থেকে শুরু হয়ে সারা করনদীঘি পরিক্রমা করে। ওয়েস্ট দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের সাধারন সম্পাদক শঙ্কর কুন্ডু, সম্পাদক জয়ন্ত সোম, করনদীঘি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক কৌশিক রায়, সভাপতি দীনবন্ধু সাহা, প্রাক্তন সস্পাদক সুব্রত চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা পা মেলান।

 

এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে টুঙ্গিদীঘি, ডালখোলা, রসাখোয়া ব্যবসায়ী সমিতির পদাধিকারীকরা ছাড়াও অনেক সাধারন মানুষ অংশ নেন। মিছিল শেষে করনদীঘি বাসস্ট্যান্ডে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। চেম্বার অব কমার্সের সাধারন সম্পাদক শংকর কুন্ডু বলেন, গোয়ালপুকুর থানা এলাকাতে সুবেশ দাসের চার লক্ষ তিরিশ হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যায়। সেই বিষয়টি তিনি গোয়ালপুকুর থানাতে লিখিত ভাবে জানান। কিন্তু গোয়ালপুকুর থানার পুলিশ সেই টাকা উদ্ধারে কোন সদর্থক ভূমিকা গ্রহন করেনি।

 

ছিনতাইবাজদের চিহ্নিত করে তা পুলিশকে জানানো হলেও কোন কাজ হয়নি। পরবর্তীতে ইসলামপুর পুলিশ জেলার সুপারকে ছিনতাইয়ের বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু তিনি ছিনতাইবাজদের গ্রেপ্তারে কোনরকম প্রয়াস করেননি। গত সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামপুরের ব্যবসায়ীদের পক্ষে ইসলামপুর পুলিশ সুপারকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তাতে প্রধান বিষয় ছিল সুবেশ দাসের টাকা ছিনতাই। সেদিন তিনি সাত দিনে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর দুর্গাপুজার নবমীর সন্ধ্যাতে সুবেশ দাসকে দোকানে ঢুকে গুলি করে হত্যা করে দুস্কৃতিরা।

 

এর পুরো তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অবিলম্বে ইসলামপুরের পুলিশ সুপারকে অপসারনের দাবী জানানো হচ্ছে। সুবেশ দাসের খুনের বিষয়টি নবান্নতে জানানো হয়েছে। অপরাধীরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত অান্দোলন চলবে।চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত সোম বলেন, পুলিশকে বাহাত্তর ঘন্টা সময় দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে অপরাধীরা গ্রেপ্তার না হলে সারা জেলা জুড়ে ব্যবসা বন্ধ রাখা হবে। সাধারন মানুষের নিরাপত্তা অাজ বিঘ্নিত।করনদীঘি ব্যবসায়ী সমিতির সস্পাদক কৌশিক রায় জানিয়েছেন, একেবারে শান্ত করনদীঘিতে সুবেশ দাসের হত্যাকান্ডের ফলে মানুষের মধ্যে যথেষ্ট অাতঙ্ক রয়েছে। অবিলম্বে অপরাধীরা গ্রেপ্তার না হলে মানুষকে নিয়ে পথে নামা হবে।