জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে একজোট হলেন ৫ বিদায়ী ব্লক নেতা

0
148

মালবাজারঃ সোমবার জলপাইগুড়ি শহরে দলীয় সভায় জেলার ব্লকগুলিতে নতুন করে আহ্বান করেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যানী। বাদ পড়েন সাবেক ৯ জন ব্লক সভাপতি। এতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন মাল মহকুমা এলাকার ৫ বিদায়ী ব্লক সভাপতি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সভা করে তারা সতন্ত্র চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সভার শেষে মাল গ্রামীণ ব্লকের বিদায়ী সভাপতি তমাল ঘোষ বলেন, জেলা সভাপতি যেভাবে হিটলারি কায়দায় আমাদের সাথে কোন প্রকার আলোচনা না করে একক সিদ্ধান্তে আমাদের বাদ দিয়ে জনভিত্তিহীন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিয়েছেন তাতে আগামী দিনে দলের অবস্থা খারাপ হবে। আমরা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আদর্শে দল করি। ওনাকে দেখে দলে আসিনি। মানুষ আমাদের সাথে আছে।

জনপ্রতিনিধিরা আছে। সবাইকে নিয়ে আমরা দল করে যাব। নাগরাকাটা ব্লকের বিদায়ী সভাপতি অমরনাথ ঝাঁ বলেন, জলপাইগুড়ি জেলার মতো আলিপুরদুয়ার জেলায় সভাপতি বদল হয়েছে। কিন্তু, সেখানে এই মডেল হয়নি। এখানে কোনো আলোচনা না করে উনি যেভাবে আমাদের বাদ দিয়েছেন সেটা ঠিক নয়।আমরা দলে আছি দল করে যাব। মানুষ আমাদের সাথে আছে।

মেটেলি ব্লকের বিদায়ী সভাপতি সোনা সরকার বলেন, উনি বলেছেন সমন্বয় গড়ে তোলার কথা, আমাদের যখন বাদ দিয়েছেন তখন সমন্বয় কার সাথে হবে! উনি নিজের খুশিমতো আহ্বায়ক নিয়োগ করেছেন। তারাই করবেন। আমরা প্রথম থেকে দল করি। দিদির আদর্শে দল করে যাব। শ্রমিকনেতা পুলিন গোলদাতা বলেন, আমরা আমাদের মতো দল করে যাব। প্রয়োজনে এই এলাকার জন প্রতিনিধিরা একযোগে পদত্যাগ করতে পারে। এরকম তানাসাহি সিদ্ধান্ত মানা যায় না।

জানা গেছে এই দিনের সভায় মাল শহর ও বানারহাট ব্লকের বিদায়ী সভাপতিরা ও বেশ কয়েকজন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও সদস্যরা ছিলেন। এনিয়ে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যানীর সাথে ফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ওনার সাথে যোগাযোগ করে ওঠা সম্ভব হয়নি। তবে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া মাল গ্রামীণ ব্লকের দুই আহ্বায়কের অন্যতম রাজা শর্মা বলেন, আমরা মানুষকে সাথে নিয়ে চলব। প্রতিটি বুথে তিনজন করে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষকে দায়িত্ব দিয়ে তৃণমূল স্তর থেকে সংগঠন গড়ে তোলা হবে। আগামী ২০২১ এর নির্বাচনের আগে দলকে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। নতুন পুরান সবাইকে নিয়ে চলব।