১০ দিন বাদে সূর্যের দেখা স্বস্তি ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায়

0
87
মালবাজারঃ টানা দশ দিন বৃষ্টির পর মঙ্গলবার সকালে বৃষ্টি থেমেছে। সকাল ১০ টার পর সূর্যের মুখ দেখা যায়। সূর্যের মুখ দেখার পর সবার মধ্যে খানিকটা স্বস্তির লক্ষ্মণ দেখা গেছে।  বৃষ্টি থামতেই সবাই জামাকাপড় রোদে শুখাতে দিতে শুরু করেছে। নদী ঝোরার জল নামতে শুরু করেছে। জলমগ্ন বাড়িঘরের জল নেমে এসেছে। সকালে নাগরাকাটা ব্লকে গিয়ে দেখা গেল গাঠিয়া, ডায়না, জলঢাকা নদীর দাপাদাপি অনেকটাই কম।
কয়েকদিন গাঠিয়া নদী ভাঙনের পরে আজ দেখা গেল জলের প্রবাহ মাত্রা অনেকটাই কম। যাদের বাড়িঘর ভেঙ্গে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তারা পুরানো ভিটেতে গিয়ে জমি পরিস্কার করছে। মনোহর ধুরা গ্রাম গতকাল সকালে সুখানী ঝোড়ার দাপটে বিচ্ছিন্ন অবস্থা ছিল। আজ অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ভাঙা সেতুর উপর দিয়েই মানুষ যাতায়াত শুরু করেছে। ডায়না ও জলঢাকা নদীর জল কমে এসেছে।
মেটেলি ব্লকের মূর্তি, নেওরানদী সহ অন্যান্য ঝোড়া গুলি গত কয়েকদিনের তুলনায় অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। মাল ব্লকে চেল, ঘিস, লিস, কুমলাই নদীর জল কমে এসেছে। চাপাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জলমগ্ন বাড়িঘরের জল নামতে শুরু হয়েছে। এর সাথে শুরু হয়েছে পানীয় জলের সংকট। বাগরাকোট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সাওগা বস্তি লিস নদীর ভাঙনে বিপন্নপ্রায় হয়ে পড়েছিল। মঙ্গলবার রোদ ওঠার পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক।
সূর্যের মুখ দেখার পর স্বস্তি এসেছে চাবাগানে। সোনগাছি চা বাগানের ম্যানেজার রাধেশ্যাম খান্ডেলওয়াল জানান, জুন মাসে গড় বৃষ্টির পরিমাণ কম ছিল। জুলাই মাসে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সেই অভাব অনেকটা দূর হয়েছে। তাপমাত্রা কমেছে। তবে লাগাতার মেঘঢাকা আকাশ থাকলে উৎপাদন কমে আসে। পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ে। শ্রমিকদের উপস্থিতির হার কমে যায়। রোদ ওঠার পর সেই অবস্থা থেকে উন্নতি হয়েছে।সামগ্রিক ভাবে বৃষ্টি থামাতে পরিস্থিতি সর্বত্র স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here