সুখানীর তান্ডবে মনোহর ধুরা যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপ

0
152
মালবাজারঃ নাগরাকাটা ব্লকে সুখানী ঝড়ের তান্ডবে মনোহর ধুরা গ্রাম যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিনত হয়েছে। নাগরাকাটা শহর থেকে যোগাযোগের একমাত্র সরকের উপর থাকা সেতুর উপর দিয়ে প্রবল বেগে স্রোত বয়ে চলছে। সেতুটি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝোড়ার পাড়ে থাকা একমাত্র শিশু শিক্ষা কেন্দ্রটির নিচের মাটি ঘুয়ে মুছে গেছে। কেন্দ্রটি ঝুলছে।
নাগরাকাটা বিডিও থেকে পুর্ব দিকে খানিক দূরে রয়েছে মনোহর ধুরা গ্রাম। গ্রামে এদিক ওদিক করে প্রায় ১০০টি পরিবার বাস করে। যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম গ্রামীণ সরক যোজনার রাস্তা। এই পথ ধরে গ্রামের মানুষ শহরের মুল অংশের সাথে যোগাযোগ রাখে। মনোহর ধুরা গ্রাম আর নাগরাকাটা সদর ব্লকের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে সুখানী ঝোড়া। বছরের অন্যান্য সময় ঝোড়াতে জল থাকেনা।
কিন্তু, বর্ষার সময় প্রবল জলস্রোত বয়ে আসে এই ঝোড়া দিয়ে। গত কয়েক বছর ধরে এই প্রবনতা বেড়েছে। গত বছর বর্ষার সময় প্রবল জলস্রোতে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরে জল কমে যাওয়ার পর ওই সেতুর উপর দিয়ে গ্রামের মানুষ যাতায়াত করত। গত কয়েকদিন ধরে ডুয়ার্স এলাকায় চলছে প্রবল বর্ষন। সব নদী ঝোরা ফুলেফেঁপে উঠছে। রবিবার রাতের প্রবল বর্ষনে বিপূল জলরাশি বয়ে আসে সুখানী ঝোড়া দিয়ে।
জলের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে সেতুর উপর দিয়ে বইতে থাকে। প্রচন্ড জলের ধাক্কায় সেতুটি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থা রয়েছে গ্রামের মানুষ। গ্রামের বাসিন্দারা জানায়, জল না কমা পর্যন্ত বাইরে বাজারেও যাওয়া যাবেনা। কেউ অসুস্থ হলে সমস্যায় পড়তে হবে আমরা গত বছর প্রশাসনের কাছে জানিয়েছিলাম এই সেতু সংস্কারের জন্য। কিন্তু হয়নি। এখন আমরা সমস্যার মধ্যে পড়েছি। শুধু তাই নয়, ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে। সেরকম সমস্যা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here