নিজের জন্মদিনে স্বামীকে সাথে নিয়ে রক্তদান ধারাবাহিক ভাবে তার সমাজসেবার বার্তা, সত্যি প্রশংসনীয়

0
339
সুমন মন্ডল, কোচবিহারঃ নিজের ৩৬ তম জন্মদিন পালন করলেন স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যম্যে। পাশাপাশি  কোচবিহার বিডিও পাঠশালার দুস্থ শিশুদের নিয়ে  শিক্ষাসামগ্রী বিলি ও দুপুরে খাদ্যসামগ্রী বিলি করলেন।কোচবিহার তোর্ষা নদীর পারের বিডিও পাঠশালা টা অবস্থিত। দুস্থ শিশুদের নিয়েই উক্ত পাঠশালার সমস্থ কর্মকান্ড। বুধবার  সবার সাথে কেক কেটে জন্মদিন পালন করা হল। মৌসুমী দত্ত বহুদিন থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্লাড ডোনার অর্গানাইজেশনের একজন ময়নাগুড়ির  সদস্যা রয়েছেন। কিছুদিন আগে নিজের ভাই এর বিয়েতেও ময়নাগুড়িতে রক্তদান শিবির করেছিলেন।
এবং তার ছেলের অকৈতব দত্ত ১০তম জন্মদিন-উপলক্ষেও দুস্থ শিশুদের কে নিয়ে সেলিব্রেশন করেছিলেন তোর্ষার পারে দুস্থ শিশুদের নিয়ে। ধারাবাহিক ভাবে তার সমাজসেবার বার্তা সত্যি প্রশংসনীয় বলে মনে করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্লাড ডোনার অর্গানাইজেশনের সদস্য-সদস্যারা। সমাজসেবার কাজ তার মনে ও প্রাণে রয়েছে। তাই এবারের নিজের ৩৬ তম জন্মদিনেও দুস্থ শিশুদের নিয়ে শিক্ষাসামগ্রী ও দুপুরে খাদ্যসামগ্রী বিলি করলেন। স্বামীর চাকরি সুত্রে কোচবিহারে থাকেন তারা। স্বামী অনাবিল দত্ত জেলা পঞ্চায়েত এন্ড রূলার ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে রয়েছেন।
 উক্ত অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্লাড ডোনার অর্গানাইজেশন। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বিডিও পাঠশালার প্রধান শিক্ষক পবিত্র রায়, সংগঠনের পর্যবেক্ষক শুভময় দে প্রমুখ। বিডিও পাঠশালার পড়ুয়াদের মধ্যে উপস্থিত ছিল শিবানী, পায়েল, সজল, রমজান, দেব, দ্বীপ, সনু, অঞ্জনা, শুভম, আয়ুস আরো অনেকে। নতুন খাতা পেন পেয়ে পড়ুয়ারা আজ খুবই আনন্দিত। মৌসুমি বলেন আজ আমি খুব খুশি নিজের জন্মদিন একটু অন্যভাবে পালন করলাম। রক্ত দেওয়ার ইচ্ছে ছিলো বহুদিনের। আজ তা পূরন হলো।
মৌসুমী ও তার স্বামী অনাবিল একসাথে কোচবিহার সেন্ট জন্স ব্লাড ব্যাঙ্ক মারফৎ রক্তদান করলেন দুই জন মুমূর্ষ রোগীকে। এদিন সমাজসেবার অঙ্গ হিসাবে সমাজের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষরা ব্লাড ডোনার অর্গানাইজেশন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি পথপ্রদর্শক হচ্ছে। জন্মদিনের সেলিব্রেশন মানেই একরাশ আনন্দ। জন্মদিনের সেলিব্রেশন মানেই নতুন একটা দিন,জীবনের একটা বছর পিছনে ফেলে আসা। আর সেই সেলিব্রেশন যদি জীবনের সঠিক এবং মানবিক শিক্ষায় শিক্ষিত রুচির পরিচয় দেওয়া হয়। তাহলে সেই শুভদিন হয়ে ওঠে অনেক আনন্দময়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here