পঞ্চায়েত কর্মী নিগ্রহ কান্ডে অভিযুক্ত অধরা, কর্মীদের ধর্নার জেরে কাজকর্ম লাটে

0
57

 

মালবাজারঃ পঞ্চায়েত কর্মী নিগ্রহ কান্ডের জেরে মাল ব্লকের ১২ গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মীরা গত শুক্রবার থেকে মাল বিডিও অফিসের সামনে ধর্নায় বসেছে। মঙ্গলবারও তাদের ধর্না অব্যাহত ছিল। এর জেরে ১২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের যাবতীয় কাজকর্ম লাটে উঠেছে। এদিন পঞ্চায়েত কর্মচারীদের ধর্নায় মাল বিডিও অফিস,এসডিও অফিস সহ অন্যান্য দপ্তরের কর্মীরা এসে সামিল হয়।গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজকর্ম কবে স্বাভাবিক হবে?  এ প্রশ্নের জবাব কেউ দিতে পারছে না।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাল ব্লকের রাজাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের দপ্তরে ক্রান্তি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস আহ্বায়ক তথা ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মেহেবুব আলম পঞ্চায়েত কর্মী গোপাল মন্ডলকে মারধোর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল মোতালেব হোসেন মেহেবুব আলমের বিরুদ্ধে ক্রান্তি থানায় অভিযোগ করেন। গোপাল মন্ডল ও পঞ্চায়েত কর্মীরা লিখিত ভাবে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও কর্মীদের নিরপত্তার দাবী জানিয়ে প্রশাসনের সব মহলে চিঠি দেয়। কিন্তু, ঘটনার ৫ দিন পরেও কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় কর্মীরা তাদের ধর্না অব্যাহত রাখে।

মঙ্গলবার ধর্না মিঞ্চে দাড়িয়ে পঞ্চায়েত কর্মীদের পক্ষে ক্রান্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের সচিব সঞ্জিব সরকার বলেন, একথা সত্য যে পঞ্চায়েতের কাজ ব্যহত হচ্ছে। মানুষ পরিসেবা পাচ্ছে না। কিন্তু, আমাদের মতো কর্মীদের নিরপত্তা বিষয়টি ভাবতে হবে। সরকারি কাজ করতে এসে যদি মারধোর খেতে হয়। অভিযোগ জানিয়ে আজ পর্যন্ত অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়নি। অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ধর্না চালিয়ে যাব। তারপর পরিস্থিতি দেখে সিদ্বান্ত নেব।

এদিকে রাজাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আব্দুল মোতালেব হোসেন বলেন, কর্মীরা না থাকায় পঞ্চায়েত অফিস কার্যত বন্ধ। শুধু সার্টিফিকেট সমূহ বাড়ি থেকে আমরা দিচ্ছি। বাকি পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই মেহেবুব আলম দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। তাহলে প্রমাণ হবে কে বা কারা দোষী। পঞ্চায়েতের দুর্নীতি ঢাকতে সচিব ও প্রধান এই সব করে বেরাচ্ছে।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here