আতঙ্কের বুলবুল আছড়ে পড়তে চলেছে কিছুক্ষণের মধ্যে,বর্তমান অবস্থান কোথায়, পড়ুন বিস্তারিত

0
48
ফাইল চিত্র

 

দক্ষিণ ২৪ পরগনা : আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুন্দরবনে প্রবেশ করতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। শনিবার সন্ধ্যাতেই সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায় আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। এ বিষয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বুলবুলের গতিবেগ রয়েছে ঘন্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। তবে এই ঘূর্ণিঝড় যখন উপকূলে আছড়ে পড়বে, সেই সময় এই ঝড়ের দাপট কিছুটা কমবে।

 

সুন্দরবন অঞ্চল দিয়ে বুলবুল ঘন্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে। এই বুলবুলের প্রভাব পড়বে কলকাতাতেও। কলকাতায় ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। সুন্দরবনের উপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল রবিবার প্রবেশ করবে বাংলাদেশ সীমান্তে। তবে রবিবার বিকেল থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বকখালি, নামখানা, কাকদ্বীপ, সাগর জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই এলার্ট ৷

 

এদিকে সন্ধে হতেই সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রবল বৃষ্টির  সঙ্গে ঝড়ের দাপট অনেকটাই বেড়েছে, ঘন্টায় প্রায় ৯০ থেকে ১০০ কিমি বেগে! সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস বেড়েছে স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি ৷ সুন্দরবনের নদীগুলিতে সব জলযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব-দ্বীপ অঞ্চলগুলির জনজীবন সমস্যার মধ্যে পড়েছে৷ মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসনের তরফ থেকে৷

 

বকখালি এবং সাগরদ্বীপ সমুদ্র কুল এলাকার মানুষদের সরিয়ে আনা হয়েছে অন্যত্র৷ প্রশাসনের তরফ থেকে দফায় দফায় বৈঠক চলছে কাকদ্বীপ এস.ডি.ও অফিসে৷ এছাড়াও সুন্দরবনের নিচু এলাকাগুলি থেকে সব বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা বলেন, সুন্দরবনের প্রতিটি ব্লকেই বিপর্যয় মোকাবিলা দল পৌঁছে গিয়েছে। নদী বাঁধ সংলগ্ন এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে স্থানীয় স্কুল ও ফ্ল্যাট সেন্টারগুলিতে রাখা হয়েছে। বিক্ষিপ্ত ঝোড়ো হাওয়ার ফলে জেলা জুড়ে বৈদ্যুতিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন৷ সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে৷