করনদীঘিতে বেহাল শৌচালয়, ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের

0
114

কল্যান ব্যানার্জী, করনদীঘিঃ করনদীঘি বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে একটি সরকারী শৌচালয়। একেবারে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত হওয়াতে এটির গুরুত্ব অপরিসীম। ডালখোলা থেকে রায়গঞ্জের মধ্যে টুঙ্গিদীঘির ভগ্ন শৌচালয় ব্যতিরেকে একমাত্র শৌচালয় এটি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, করনদীঘির প্রানকেন্দ্রে রয়েছে গ্রামীন হাসপাতাল, সমষ্টি উন্নয়ন অাধিকারিকের কার্যালয় সহ প্রশাসনিক দপ্তরগুলি। প্রয়োজনে মানুষকে সরকারী দপ্তরে অাসতে হয়। শৌচকর্মের জন্য মানুষ ব্যবহার করতে চান বাসস্ট্যান্ডের শৌচালয়টিকে।

কিন্তু একেবারে বেহাল শৌচালয়টিকে ব্যবহার করতে রুচিতে বাঁধে। কিছুদিন পূর্বে করনদীঘি বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী প্রতিক্ষালয়টি নবনির্মান করা হয়েছে। তার সঙ্গে থাকা শৌচালয়টির বেহাল দশা নজর এড়িয়েছে। বাসযাত্রী রমন মহন্ত বলেন, রায়গঞ্জ থেকে শিলিগুড়িগামী বাসে তিনি সপরিবারে যাত্রা করছিলেন। তার স্ত্রীর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবার প্রয়োজনে করনদীঘিতে বাস থামলে তারা নেমে শৌচালয়ে যান। কিন্তু সেই ভগ্ন শৌচালয়টিকে ব্যবহার করা যায়নি। তারা ভীষন সমস্যাতে পড়েছিলেন।

নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, সরকার গ্রামে গ্রামে শৌচালয় নির্মান করছে। কিন্তু করনদীঘি বাসস্ট্যান্ডের একমাত্র শৌচালয়টি সকলের নজর এড়াচ্ছে।সামান্য বৃস্টিতে শৌচালয়ের দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে শৌচালয়টি বেহাল থাকলেও কারো কোন হেলদোল নেই। এই শৌচালয়টির রক্ষনাবেক্ষনের দ্বায়িত্বে রয়েছে করনদীঘি ১ গ্রাম পঞ্চায়েত। এবারের পন্চায়েত নির্বাচনে ক্ষমতার হাতবদলে বিজেপি ক্ষমতাতে এসেছে।

করনদীঘি ১৫ নম্বর মন্ডল বিজেপি সভানেত্রী তথা গ্রামপঞ্চায়েত সদস্যা শম্পা মহন্ত জানিয়েছেন, কিছুদিন পূর্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীকে করনদীঘি বাসস্ট্যান্ডের শৌচালয় নবনির্মানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই এটির নির্মাণ কাজ শুরু হবে। নবনির্মানের কাজ শুরু না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত থেকে এটির মেরামতি করে মানুষের ব্যবহারের উপযোগি করা হবে।