রাস্তায় পা ফেললেই বিপত্তি, এক হাঁটু কাদায় ডোবে পা ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা

0
133

ইসলামপুর : দীর্ঘ এক দশক ধরে কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। বর্ষা হলেই এক হাঁটু জল কাদা আর নোংরা পেরিয়ে তবে বাড়িতে ঢুকতে হয়। এমনকি বর্ষার মধ্যে স্কুলে যাতায়াত প্রায় বন্ধই করে দিতে হয় পড়ুয়াদের। এমনই চিত্র উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের আগ ডিমটি খুন্তি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাঠু গছে।

রাস্তা তৈরি না হওয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিক্ষোভে রীতিমতন সরব হয়ে ওঠেন এলাকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, গত এক দশক ধরে প্রতি ভোটেই ওই রাস্তাটি পাকা করবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর আদতে কেউ খোঁজ নিতেই আসেননি। তবুও গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ কিংবা প্রশাসনের কাছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বারবার দ্বারস্থ হলেও আদৌ সমস্যার সমাধান হয়নি।

ওই এলাকার আটশ মিটার এই রাস্তা এলাকার বাসিন্দাদের কাছে যেন অভিশাপ ।বর্ষার সময় সাইকেল, রিকশা সহ কোনও যান চলাচল করতে পারে না ওই রাস্তা দিয়ে। আর রাত-বিরেতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা রোগীদের পিঠে কাঁধে করে বহন করে নিয়ে যেতে হয়। কারণ ওই রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তায় পা ফেললেই হাঁটু পর্যন্ত জল কাদার গর্তে ঢুকে যায় পা। এই সমস্যা আর কতদিন চলবে? কেনইবা এই রাস্তা পাকা করা হচ্ছে না? কেন তাদের এই দাবি পূরণ হচ্ছে না?

কেন ওই এলাকার বাসিন্দারা এই পরিষেবা থেকে বঞ্চিত? এ ধরনের হাজারো প্রশ্নের উত্তর যেন জানা নেই কারও। নির্বাক জনপ্রতিনিধিরা, এমনকি প্রশাসনও। এলাকার বাসিন্দা করিম উদ্দিন জানান, প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার দরবার করেও রাস্তার কাজ কোন ভাবেই শুরু হয়নি। হচ্ছে হচ্ছে করে পেরিয়ে গেছে এক দশক। স্কুলপড়ুয়া গুলশান বেগম বলেন, বর্ষা এলেই ওই গ্রামের পড়ুয়াদের স্কুল যাওয়া বন্ধ। কারণ ওই কর্দমাক্ত রাস্তা পেরিয়ে স্কুলে যাওয়া আদৌ সম্ভব নয়। এমনকি জল কাদের আতঙ্কে বাইরের কোনও মানুষ ওই গ্রামে ঢোকেননা।এই বিষয়ে বিডিও শতদল দত্তর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।