বাংলাদেশে ১১ কোম্পানির দুধে সীসা ও বিষাক্ত ক্যাডমিয়াম ধাতু

0
145
হাবিবুর রহমান, ঢাকা: বাংলাদেশে ১১ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধের নমুনায় গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি সীসার উপস্থিতি রয়েছে বলে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে জানাতে বলেছেন। যেসব কোম্পানিগুলোর দুধে সীসা পাওয়া গেছে সেগুলো হলো-মিল্কভিটা, ডেইরি ফ্রেশ, ইগলু, ফার্ম ফ্রেশ, আফতাব মিল্ক, আল্ট্রা মিল্ক, আড়ং ডেইরি, প্রাণ মিল্ক, আইরান, পিউরা, সেইফ মিল্ক।
জানা গেছে, ৫০টি নমুনা পরীক্ষা করে কয়েকটি ব্র্যান্ডের দুধে বিষাক্ত ক্যাডমিয়াম ধাতু পাবার কথাও বলা হয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ওই প্রতিবেদনে। আদালতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম। এসময় বিএসটিআই’র পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান ( মামুন)। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।
এ ছাড়া গোখাদ্যের ১২টি নমুনা সংগ্রহ করে আইসিডিডিআরবি, বিসিএসআইআরসহ চারটি ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে, এমন একটি রিপোর্ট দাখিল করে সংস্থাটি। যদিও বিএসটিআই ৩০৫টি নমুনা সংগ্রহ করে মাত্র দুটি ব্র্যান্ডের দুধে ক্ষতিকার উপাদান পাওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে প্রতিবেদনের বিষয়ে শুনানি শেষে দুগ্ধ খামারীদের পশু ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া গাভীকে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রিপোর্ট অনুযায়ী ক্ষতিকারক উপাদান থাকা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে জানাতে বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।